যা বলার ছিলো ইউটিউবে দেখলাম সাবেক শাহবাগী-কমিউনিস্ট নেতা, আজ্ঞেয়বাদী, পিনাকী ভট্টাচার্য দাদা একটা ভিডিও আপলোড করেছেন। ভিডিওটির শিরোনাম কিছুটা আমার এই লেখাটার শিরোনামের মতোই ছিলো। তবে ভেতরে তিনি এরকম একটা কথা লিখেছেন— “একুশের ল্যাদল্যাদে আবেগের ব্যবচ্ছেদ”। কিন্তু সেই ল্যাদল্যাদে আবেগের যথেষ্ট ব্যবচ্ছেদ পিনাকীদা করেছেন বলে মনে হয়নি আমার কাছে। বরং মনে হয়েছে/দেখা গেছে তিনি নিজেও সেই আবেগের ফাঁদে আঁটকে আছেন। সে যাই হোক, তিনি এক সময় সিপিবির পদধ্বারী নেতা ছিলেন, কঠিন শাহবাগী ছিলেন, সে হিসেবে তাঁর কাছে খুব বেশি প্রত্যাশা করাটাও ঠিক না। তবে এতোটুকু সঠিক— তিনি কথিত প্রগতিশীলদের তুলনায় যথেষ্ট সৎ, ভালো এবং বায়াস মুক্ত। বঙ্গীয় নামধারী প্রগতিশীলরা যেখানে সার্বক্ষণিক বাংলাদেশের গণমানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, যেকোনো মূল্যে ইসলাম কোপানোর মিশনে লেগেই থাকে, সেখানে অন্তত বাহ্যিকভাবে হলেও পিনাকীদা গণমানুষের ভাষায় কথা বলতে চেষ্টা করেন এবং বলেনও বটে। অন্যদের মতো ইসলাম কোপানোর কাজে লেগে থাকেন না। এই হচ্ছে মোটামুটি তাঁর বাহ্যিক চিত্র। অন্তরের অভ্যন্তরে কী আছে সেটা তো আর আমাদের জানা সম্ভব নয়; তাই সুধারণ...
Comments
Post a Comment