“ভাঙন থেকে পুনর্গঠন”
কী সুন্দর করে সাজানো-গোছানো মনটা কখনো না কখনো ভেঙে যায়। কেউ না কেউ ভেঙে দেয়। আমরা চাই না এমনটা হোক। কিন্তু তবুও এমনটাই হয়। প্রায়শই এমন অগণিত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হই। অথচ আমরা চাই না উত্তপ্ত উনুনে জ্বলে ওঠা অনলের মতো দাউদাউ করে আমাদের ভেতরটা জ্বলেপুড়ে অঙ্গার হয়ে যাক। কিন্তু আমরা না চাইলেও তা হয়, আমাদের এই ছোট্ট মনটা ঠিকই জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে ভেঙে পড়েই। ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়, খানখান হয়ে দুমড়ে-মুচড়ে থেঁতলে যায়। বুকের খাচায় দুঃখের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। সেই দাবানল সবকিছু জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। বিষণ্ণতার কালো মেঘে ঢেকে যায় আমাদের আমাদের মন-আকাশ। তখন আর কিছুই ভালো লাগে না। জগত-সংসার, পরিবারপরিজন, খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা, কাজকর্ম— কিছুই না। কিছুতেই মন বসে না। ভালো কথাও তেতো লাগে। পুরো দুনিয়াটাই অসহ্য মনে হয়। কখনও কখনও তো এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আগ্রহটাই ক্ষয়ে যায়। ধৈর্যের দেয়ালটা ভেঙে চুরচুর হয়ে যায়। খসে খসে মাটিতে পড়ে একাকার-ম্যাসাকার হয়ে যায়। ঠিক তখনই নিজেকে হুট করে প্রশ্ন করি— এত অধৈর্য হয়ে লাভটা কী? সহ্যের সীমা ডিঙিয়ে অসহ্যের আঁকাবাঁকা পথে গিয়ে এই ক্ষুদ্র...