“বিএনপির শত্রু-মিত্র”
বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চেয়েছিলাম। সত্যি বলতে, বিএনপিকে আঘাত করতে কখনোই স্বস্তি লাগে না। কিন্তু সহ্যেরও একটা সীমা থাকে। যখন কোনো রাজনৈতিক দল তার আদর্শিক বন্ধুদের চিনতে ব্যর্থ হয়, আর সুযোগসন্ধানী ও অর্বাচীনদের হাতে নিজের বিবেক তুলে দেয়— তখন কথা বলাটা কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। গতকাল বিএনপির একটা প্রোগ্রামে আমাদের দেশ-এর সম্পাদক, ড. মাহমুদুর রহমান, আওয়ামী আমলে নির্যাতিত কয়েকজন সাংবাদিকের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। পাশাপাশি তিনি তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করলেন— নতুন করে বিএনপি-সাজা কিছু সাংবাদিক ও মিডিয়ার ব্যাপারে। এই সতর্কতায় শেখ মুজিবুর রহমানের প্রসঙ্গও তুলে আনলেন। যদিও তারেক রহমানের সাথে শেখ মুজিবুর রহমানের তুলনাটা যথার্থ ছিল না। তবুও তিনি যা বোঝাতে চেয়েছিলেন, সচেতন ব্যক্তি মাত্রই তা বুঝে ফেলার কথা। সম্ভবত তারেক রহমানও তা বুঝেছিলেন। কিন্তু এই সতর্কবার্তার জের ধরে বিএনপির কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী ও সমর্থকরা ড. মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে তোপ দাগানো শুরু করলো এবং এই সাহসী ও সৎ মানুষটির চরিত্রহননের পথে হাঁটা শুরু করল। এটা যে শুধু দুঃখজন...